কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়ন—সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি, কৃষিনির্ভর জনজীবন আর সহজ-সরল মানুষের বসতভিটায় গড়ে ওঠা এক সম্ভাবনাময় জনপদ। সময়ের সঙ্গে এই ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, কৃষকের ন্যায্য অধিকার এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি এখন আরও জোরালো। এমন বাস্তবতায় জনসম্পৃক্ততা ও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে মোঃ মিলনুজ্জামান মিলনের নাম।
কুর্শা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়া, সুখে-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে ভাবনার কারণে অনেকেই তাকে সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নেতৃত্ব কেবল নির্বাচনের সময় মানুষের দুয়ারে যাওয়ার বিষয় নয়; বরং বছরের প্রতিটি দিন মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত জনসেবার পরিচয়। সেই জায়গায় মিলনুজ্জামান মিলনকে তারা একজন সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাদের প্রত্যাশা—কুর্শা ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনায় তরুণ প্রজন্ম, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মিলনুজ্জামান মিলনের ভাবনায় একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব ইউনিয়নের স্বপ্ন রয়েছে বলে তার ঘনিষ্ঠজনেরা জানান। বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নত করা, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানো, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, তরুণদের কর্মমুখী করা এবং সামাজিক নিরাপত্তার আওতা আরও কার্যকর করার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
কুর্শার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় নেতৃত্বে তারা এমন একজন ব্যক্তিকে দেখতে চান যিনি দল-মত ও শ্রেণিপেশার ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন। তাদের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদ হবে মানুষের আস্থার জায়গা—যেখানে নাগরিক সেবা পেতে কাউকে হয়রানি কিংবা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হবে না।
রাজনীতির মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মিলনুজ্জামান মিলনের নাম আলোচনায় আসায় স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা ও ভোটই নির্ধারণ করবে নেতৃত্বের আসনে কে বসবেন। আর সেই আস্থা অর্জনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব জনকল্যাণের কর্মসূচিতে রূপ দেওয়া।
মিলনুজ্জামান মিলন মনে করেন, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন, তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের পরিবেশ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কুর্শার মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। তার প্রত্যাশা—আগামীর কুর্শা হবে উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততার একটি দৃষ্টান্ত।
তবে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা মিলনুজ্জামান মিলনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা—মানুষের প্রত্যাশাকে কতটা বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে পারেন এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মাঠে কতটা গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। শেষ পর্যন্ত কুর্শার মানুষই দেবেন সেই প্রশ্নের উত্তর।
জনসেবার প্রত্যয়, উন্নয়নের স্বপ্ন আর মানুষের ভালোবাসা—এই তিনকে পুঁজি করে কুর্শার নেতৃত্বের দৌড়ে মোঃ মিলনুজ্জামান মিলনের পথচলা এখন স্থানীয় রাজনীতির আলোচিত অধ্যায়।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |