| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ায় শারদীয় দুর্গা উৎসবে সরকারি বরাদ্দকৃত চাউল আত্মসাৎ হওয়ার অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 26-10-2025 ইং
  • 130806 বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় শারদীয় দুর্গা উৎসবে সরকারি বরাদ্দকৃত  চাউল আত্মসাৎ হওয়ার অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়ায় শারদীয় দুর্গা উৎসবে সরকারি বরাদ্দকৃত চাউল আত্মসাৎ হওয়ার অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন কর্তৃক বিশেষ বরাদ্দকৃত তহবিল বা খাদ্যশস্য (৫০০ কেজি চাউল) আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী সরকারি বরাদ্দের পরিবর্তে বহু মন্দিরে নগদ অর্থ একাংশ প্রদত্ত হয়েছে, অনেকে সামান্য অর্থই পেয়েছেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত চাল পর্যন্ত গ্রহন করেননি। অভিযোগ ওffected মন্দিরগুলোর তালিকা (প্রতিবেদন সূত্র):ভেড়ামারা — শ্যাম কালী মন্দির। মোকারিমপুর ঠাকুর দৌলতপুর, দাসপাড়া — শ্রীশ্রী সার্বজনীন মাতৃমন্দির। বাহাদুরপুর, ভেড়ামারা গোলাপনগর বাজার — সার্বজনীন মাতৃ মন্দির। কুমারখালী — ভট্টাচার্যবাড়ী মন্দির। কুমারখালী — নবগ্রহ মন্দির। কুমারখালী — সরদারপাড়া মন্দির। কয়া — মহাশ্মশান মন্দির, কুমারখালী। কয়া — পালপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির।হোগলা — ঘোষপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির।কল্যাণপুর — সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কুমারখালী।ঝাউদিয়া — পাগল গতিনাথের শ্রীশ্রী হরি তলা আশ্রম মন্দির। ঝাউদিয়া — মহাশ্মশান রামদাশের আশ্রম, মাছপাড়া। জুগিয়া — দাসপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির।বারাদি — সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, সাহাপাড়া। বারাদি — জগমোহন রায় জিওর মন্দির (বাবু-পড়া)।অভিযোগকারী অনুপ সাহা (সাধারণ সম্পাদক) ও তপন কুমার বিশ্বাস (সভাপতি)সহ সংশ্লিষ্ট মন্দির প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, সরকার কর্তৃক বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে প্রতিটি মন্দিরকে ৫০০ কেজি চাউল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরাদ্দের বদলে কিছু মন্দিরকে নগদে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা বা অনুরূপ ক্ষুদ্র অংক প্রদান করা হয়েছে। অনুপ সাহা বলেন, "আমাদের মন্দিরে বরাদ্দকৃত ৫০০ কেজি চাউলের পরিবর্তে আমাদের মাত্র পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। আমরা বরাদ্দকৃত চাল পাইনি।"

অন্যদিকে, মন্দির সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় জানান, "কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কর্তৃক বরাদ্দকৃত ৫০০ কেজি চাউলের মধ্যে আমাদের মন্দিরে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা এসেছে — বাকি বরাদ্দকৃত চাল দুষ্কৃতকারীরা আত্মসাৎ করেছে। এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য আমরা উপযুক্ত তদন্ত ও শাস্তি কামনা করছি।"

স্থানীয় মন্দির কমিটি এবং সাধারণ উৎকন্ঠা:

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মন্দির কমিটি ও সাধারণ সুবিধাভোগীরা পুরো বরাদ্দ না পেয়ে হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তারা আশা করছেন প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। মন্দিরগুলোর নেতৃবৃন্দ জানান, বছরের পর বছর ধরে ধর্মীয় উৎসবের সময় সরকারি সহায়তা সংকটে মোকাবিলায় অতি গুরুত্বপূর্ণ; তাই বরাদ্দকৃত তহবিল ও খাদ্যশস্য অনুপযুক্তভাবে বন্টন হলে এটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং স্থানীয় দরিদ্র পরিবারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

অভিযোগগুলো প্রকৃতপক্ষে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ভবিষ্যতে বরাদ্দকৃত উপকরণ সরবরাহ ও বণ্টন প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসন নিরীক্ষণ বাড়ানো।

অতি দেরি কিংবা অনাক্রম্যতা এড়াতে বরাদ্দকৃত চাল/তহবিল সরবরাহের সময় রশিদ-বহির্ভূত ডকুমেন্টেশন নিশ্চিত করা এবং প্রাপ্ত স্বীকারোক্তি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা।

স্থানীয় জনসাধারণ ও মন্দির পাওয়ারদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, ধর্মীয় তহবিল ও অনুদান নিয়ে অপকর্ম হলে তা সামাজিক ঐক্য ও আস্থাভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মন্দির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম