| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

ভেড়ামারায় পদ্মার বুকে ‘সাবমেরিনে’ গুলিবর্ষণ, মনি পার্কের মালিকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 31-07-2026 ইং
  • 78 বার পঠিত
ভেড়ামারায় পদ্মার বুকে ‘সাবমেরিনে’ গুলিবর্ষণ, মনি পার্কের মালিকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ
ছবির ক্যাপশন: কাকন বাহিনীর’ বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা—গোলাগুলির নেপথ্যে কারা?

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে মনি পার্কের মালিক মনিরুল ইসলাম মনি ও তাঁর দুই সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে নদীতে নতুন স্পিডবোট পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর সময় একটি অপরিচিত স্পিডবোট থেকে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে মনিরুল ইসলাম মনি, তাঁর দেহরক্ষী ববি ও অপর এক সহযোগী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে, নদীর বুকে তথাকথিত ‘সাবমেরিন’ বা লাইফবোর্ডে ঠিক কী ঘটেছিল, কারা গুলি চালিয়েছিল এবং কেনই বা এই গোলাগুলির ঘটনা—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

মনি পার্কের স্বত্বাধিকারী মনিরুল ইসলাম মনি দাবি করেন, গতরাত আনুমানিক তিনটার দিকে নতুন একটি স্পিডবোট পার্কে নিয়ে আসার পর সেটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য তিনি তিন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে পদ্মা নদীতে যান। কিছুক্ষণ নদীতে চলার পর বিপরীত দিক থেকে একটি স্পিডবোট দ্রুতগতিতে তাঁদের দিকে এগিয়ে আসে। ওই নৌযান থেকে তাঁদের দিকে টর্চলাইটের আলো ফেলা হচ্ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

মনিরুল ইসলামের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা আপত্তি জানালে অপর স্পিডবোটে থাকা ব্যক্তিরা তাঁদের নৌযানের ওপর আকস্মিকভাবে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে তিনি নিজেসহ তাঁর দুই সহযোগী গুলিবিদ্ধ হন।

আহতদের মধ্যে একজনের বুকে ও পিঠে দুটি গুলি লাগে বলে জানান তিনি। তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ‘কাকন বাহিনী’র সদস্যদের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠলেও অভিযোগটির স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গোলাগুলির প্রকৃত কারণ, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ঘটনার নেপথ্যে কোনো পূর্ববিরোধ বা অন্য কোনো বিষয় রয়েছে কি না—তা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, পদ্মা নদীতে গভীর রাতে দুটি স্পিডবোটের গতিবিধি এবং পরবর্তী গোলাগুলির ঘটনা নিছক আকস্মিক, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসা জরুরি। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে ঘিরে কোনো পক্ষ যেন প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গুজব নয়, প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়েছে কি না এবং পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম