মো. মুনজুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি এখন যেন সবুজের এক অপরূপ চাদরে মোড়ানো। মাঠের পর মাঠ জুড়ে দুলছে কচুর সতেজ পাতা, আর সেই সবুজের সমারোহে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন এলাকার কৃষকেরা। অনুকূল আবহাওয়া, সময়োপযোগী পরিচর্যা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমন্বয়ে এ বছর কচু চাষে বাম্পার ফলনের আশায় বুক বেঁধেছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, কচুর ক্ষেতগুলোতে চলছে কৃষকদের নিরলস কর্মযজ্ঞ। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, আবার কেউ ব্যস্ত রোগবালাই প্রতিরোধে। কৃষকের যত্ন আর প্রকৃতির সহায়তায় কচুগাছগুলো বেড়ে উঠছে সবল ও সতেজভাবে। মাঠের এই দৃশ্য শুধু কৃষকের নয়, কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলের মনেই আশার আলো জাগিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় কচু চাষে উৎপাদন ব্যয় কম হলেও লাভের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। বাজারে বছরজুড়েই কচুর চাহিদা থাকায় উৎপাদিত ফসল বিক্রি নিয়ে তেমন কোনো শঙ্কা নেই। বিশেষ করে কচুর লতি, মুখি কচু এবং বিভিন্ন জাতের কচু দেশের নানা অঞ্চলে সরবরাহ হওয়ায় কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।
দৌলতপুরের একাধিক কৃষক জানান, ধান ও অন্যান্য প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এবার তারা কচু চাষে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ কচু এখন শুধু একটি সবজি নয়, বরং লাভজনক অর্থকরী ফসল হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে। এতে কৃষি বৈচিত্র্য যেমন বাড়ছে, তেমনি কৃষকের আয় বৃদ্ধির নতুন পথও তৈরি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও এ বছরের কচু চাষ নিয়ে আশাবাদী। তাদের মতে, কচু একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও উচ্চ সম্ভাবনাময় ফসল। সঠিক পরিচর্যা এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করলে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব। কৃষকদের পাশে থেকে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তারা সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে পারেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |