কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার রেজাউল করিম। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক উদ্যোগ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এই ব্যক্তিত্বকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা। আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাঁদের সম্ভাব্য প্রার্থিতার খবরে স্থানীয় রাজনীতিতে বইছে নতুন সমীকরণের হাওয়া।
মিরপুর পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খন্দকার রেজাউল করিম ইতোমধ্যেই একজন পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক করে তুলেছে।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হতে পারেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ব্যবসায়ী মহল এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে আরও জোরালো করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিরপুর পৌরসভায় উন্নয়ন, সুশাসন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে জনগণ এখন কার্যকর ও বিকল্প নেতৃত্বের সন্ধান করছে। সেই প্রেক্ষাপটে খন্দকার রেজাউল করিমের নাম আলোচনায় আসা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
খন্দকার রেজাউল করিম বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। পৌরবাসী যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, তবে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব মিরপুর পৌরসভা গড়ে তুলতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
রাজনৈতিক সচেতন মহলের ধারণা, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা মিরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, জনগণের সমর্থনের পাল্লা শেষ পর্যন্ত কতটা ভারী হয় তাঁর পক্ষে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |