কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন লালন সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী অডিটোরিয়াম চত্বরে কুষ্টিয়া জেলা সাংস্কৃতিক জোট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ খালেদউজজামান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট গোলাম মহম্মদ (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুষ্টিয়া ইউনিট), মো. আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার (পরিচালক, দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি) এবং সুজন রহমান (কালচারাল অফিসার, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, কুষ্টিয়া)।
বক্তারা বলেন, ফরিদা পারভীন কেবল কুষ্টিয়ার গর্বই নন, তিনি সমগ্র বিশ্বের বাঙালি সংস্কৃতির এক অনন্য দূত ছিলেন। তাঁর কণ্ঠের মরমি সুর লালনগানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দিয়েছে ভিন্নমাত্রায়। তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিমল থিয়েটারের সভাপতি পারভেজ মাজমাদার, অ্যাডভোকেট সুব্রত চক্রবর্তী, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুকুল খসরু এবং জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি সংসদের মো. তৌহিদুল ইসলাম।
এ সময় নির্বাহী পরিচালনা পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন মোহাঃ আব্দুর রাজ্জাক। যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুর রহমান (স্বপন মাহমুদ), সদস্য সচিব রবি হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব এস.এস. রুশদী ও মতিন খন্দকারও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিশিষ্টজনেরা—সোহেল খন্দকার, কবি রফিকুল্লাহ কালবী, গবেষক মো. আবু বক্কর, কবি ফারহানা হৃদয়ীনী, সাংস্কৃতিক কর্মী সুবর্ণা মাহমুদ, সংগঠক মনীষা ইসলাম, শিল্পী মো. সুজা উদ্দিনসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
পরে সাংস্কৃতিক পর্বে স্থানীয় শিল্পীরা ফরিদা পারভীনের পরিবেশিত জনপ্রিয় লালনগান ও মরমি সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল শ্রদ্ধা, আবেগ ও সাংস্কৃতিক উন্মাদনার আবহ।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |