| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ায় জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর দিকনির্দেশনা আশার আলো দেখালেন - মজনুর রহমান

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 20-04-2026 ইং
  • 36957 বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর দিকনির্দেশনা আশার আলো দেখালেন - মজনুর রহমান
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়ায় জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর দিকনির্দেশনা আশার আলো দেখালেন - মজনুর রহমান

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় কুষ্টিয়ায় সংকট উত্তরণে বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরে আশার সঞ্চার করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মজনুর রহমান। তাঁর সুসংগঠিত বক্তব্যে ভরসা খুঁজে পাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহলসহ সাধারণ ভোক্তারা।

সম্প্রতি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “জ্বালানি তেলের সংকট কোনো একক কারণে সৃষ্টি হয় না; বরং এটি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদ নীতি এবং চাহিদার ভারসাম্যের ওপর নির্ভরশীল।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে এ ধরনের সংকট অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন খাজানগরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল-এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান নিজেই। সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মজনুর রহমান তার বক্তব্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। প্রথমত, স্থানীয় পর্যায়ে জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, অসাধু মজুদদারদের কারণে অনেক সময় বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়, যা কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, তিনি জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। অপ্রয়োজনীয় যানবাহন ব্যবহার কমানো, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে চাহিদার চাপ কমানো যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তৃতীয়ত, তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান। তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, পরিবহন খাত এবং প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ থাকলে সংকটকালীন সময়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি মত দেন।

এদিকে, শনিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে হালনাগাদ জ্বালানি তেলের মূল্যতালিকা অনুযায়ী কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় ডিজেল (HSD) ১১৬.৪৮ টাকা, অকটেন (HOBC) ১৩৬.৪৮ টাকা,  পেট্রোল (M/S) ১৪১.৪৮ টাকা ও কেরোসিন (SKO) ১৩১.৪৮ টাকা,  লিটার প্রতি ১৬ থেকে ২০ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে । পরিবহন ব্যয়, দূরত্ব ও টোল-রেটের তারতম্যের কারণে এই পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে দেখা যায়, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে খরচ কাঠামোর একটি সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ মজনুর রহমানের এই উদ্যোগ ও বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, বাস্তবভিত্তিক এসব পরামর্শ বাস্তবায়ন করা গেলে কুষ্টিয়ায় বিদ্যমান জ্বালানি সংকট অনেকটাই লাঘব হবে।

সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এই সংকট থেকে আমাদের বের করে আনতে। সবার সহযোগিতা থাকলে কুষ্টিয়া আবারও স্বাভাবিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ফিরে আসবে।”

তার এই সুদূরপ্রসারী বক্তব্য কুষ্টিয়াবাসীর মাঝে নতুন প্রত্যাশা জাগিয়েছে এবং সংকট মোকাবেলায় একটি কার্যকর পথনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম