কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
নির্বাচনের তফসিল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়নি। প্রতীকও বরাদ্দ হয়নি। কিন্তু তার আগেই কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ২ নম্বর মথুরাপুর ইউনিয়নে শুরু হয়ে গেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠ গোছানোর তৎপরতা। পাড়া-মহল্লা থেকে বাজার—চায়ের আড্ডা থেকে সামাজিক অনুষ্ঠান—সবখানেই এখন ঘুরেফিরে আলোচনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।
এই নির্বাচনী আবহে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন মথুরাপুর বাজার কমিটির সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন। দোয়া, সমর্থন ও ভোটারদের আস্থা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি শুরু করেছেন ধারাবাহিক গণসংযোগ।
ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন আনোয়ার হোসেন। শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় ও সরাসরি গণসংযোগের মাধ্যমে নিজের প্রার্থিতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন ভোটারদের কাছে। তাঁর অনুসারীরাও বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় হয়েছেন।
প্রচারপত্রে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন আনোয়ার হোসেন। পাশাপাশি ভোটারদের মূল্যবান সমর্থন ও রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের প্রতিশ্রুতি।
আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই। ইউনিয়নবাসীর সমস্যা, প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছি। এ জন্য সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন চাই।”
নির্বাচনী মাঠের বর্তমান চিত্র বলছে, আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে ভোটের সমীকরণ দাঁড়াবে, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এবং ভোটারদের মনোভাবের ওপর।
মথুরাপুরের ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ। কে এলাকায় কতটা সময় দেন, বিপদে-আপদে পাশে থাকেন, কার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ বেশি—এসব বিষয়ও আলোচনায় আসছে। ফলে চেয়ারম্যান পদে লড়াই কেবল প্রচারপত্র বা গণসংযোগে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভোটারদের আস্থা অর্জনের লড়াইটিই হয়ে উঠতে পারে মূল পরীক্ষা।
এদিকে আনোয়ার হোসেনের সমর্থকেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থিতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান জানান দিলেও সামনে আরও একাধিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক তফসিল, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ না হওয়া পর্যন্ত মথুরাপুরের নির্বাচনী হিসাবকে চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না। তফসিল ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে—কারা মাঠে থাকছেন, কারা সরে যাচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে জমে উঠছে মথুরাপুরের চেয়ারম্যান পদে ভোটের লড়াই।
তবে একটি বিষয় ইতোমধ্যেই স্পষ্ট—ভোটের দিন যতই দূরে থাকুক, মথুরাপুরে নির্বাচনী মাঠের পালস এখন থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |