| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী দুর্গন্ধ-বর্জ্যে

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 13-09-2026 ইং
  • 975 বার পঠিত
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী দুর্গন্ধ-বর্জ্যে
ছবির ক্যাপশন: বিপর্যস্ত ‘অবৈধ’ লেয়ার ফার্ম উচ্ছেদের দাবিতে কৃষক-এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

একদিকে ডিম ও মুরগির উৎপাদনের বাণিজ্য, অন্যদিকে দুর্গন্ধ আর বর্জ্যের ভারে বিপর্যস্ত জনজীবন।কুষ্টিয়ার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নে একটি লেয়ার ফার্মকে ঘিরে এমনই অভিযোগ উঠেছে। ‘অবৈধ অ্যাডভান্সড গোল্ডেন এগস্ অ্যান্ড চিকস্ লিঃ লেয়ার ফার্ম’ উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছেন এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকেরা অভিযোগ করেন, ফার্মটির দুর্গন্ধ ও বর্জ্যের কারণে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষিকাজেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলেও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।

মানববন্ধন থেকে প্রশ্ন উঠেছে—কৃষি ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাণিজ্যিক লেয়ার ফার্ম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিধিবিধান যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ফার্মের বর্জ্য ও দুর্গন্ধের কারণে তাঁদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। কৃষিজমি, ফসল ও স্থানীয় পরিবেশের ওপর এর প্রকৃত প্রভাব কতটা—তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগের কেন্দ্রে এখন শুধু দুর্গন্ধ নয়; ফার্মটির বৈধতা, পরিবেশগত অনুমোদন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়াই প্রশ্নের মুখে। ফলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জোরালো হচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, কর্মসংস্থান বা ব্যবসার সুযোগ তৈরির নামে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি মানুষের বসবাসের পরিবেশ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে ওঠে, তাহলে তার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবেশ ও জনজীবনের জন্য ক্ষতিকর হলে প্রতিষ্ঠানটি অবিলম্বে উচ্ছেদের দাবি জানান তাঁরা।

পাটিকাবাড়ীর বাসিন্দা ও কৃষকদের প্রশ্ন—বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, ফার্মটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না এবং এর কারণে কৃষকদের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতি কতটা—এসবের জবাব দেবে কে?

এখন এলাকাবাসীর দৃষ্টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিবেশ কর্তৃপক্ষের দিকে। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এই ক্ষোভ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম