মেহেরপুর প্রতিনিধি: হিরক খান
জনগণের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন বিএনপি নেতা নুর ইসলাম। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের ২১টি গ্রামে গণসংযোগ, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নুর ইসলাম তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় একজন সংগঠক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তার রাজনৈতিক পথচলার শুরু সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেনের হাত ধরে। শৈশব থেকেই বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী নুর ইসলাম রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। স্থানীয়দের কাছে সহজ-সরল, অমায়িক ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
নুর ইসলাম ধানখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এবং গাংনী থানা বিএনপির সাবেক সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক আন্দোলনের সময়ও তিনি মামলার শিকার হন বলে জানান।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নুর ইসলাম বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাস থেকেই আমি রাজনীতি করি। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সরকারি অনুদান, ভাতা ও বিভিন্ন সেবামূলক সুবিধা প্রকৃত প্রাপকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াকে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব।”
তিনি বলেন, ধানখোলা ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না; কৃষক, শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রায় ৩৩ হাজার ভোটারের কৃষিনির্ভর ধানখোলা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও সম্ভাবনাময় ইউনিয়নে রূপ দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নুর ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততাকে প্রশাসনিক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি করা হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের কথা শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গণসংযোগকালে তিনি কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শ্রমজীবী, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নুর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অনেকেই তাকে ভালো মনের ও মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, নুর ইসলামের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি দৃশ্যমান। তারা মনে করেন, জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে মানুষের প্রয়োজন ও এলাকার বাস্তব সমস্যা নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ধানখোলার মাঠ-ঘাট, হাট-বাজার ও গ্রামের পথে এখন তার গণসংযোগের ব্যস্ততা। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে ইউনিয়নের নেতৃত্বের পালাবদল। আর সেই রায়ের প্রত্যাশায় নুর ইসলামের প্রচারণায় উচ্চারিত হচ্ছে একটাই অঙ্গীকার—জনগণের সঙ্গে থাকা, মানুষের জন্য কাজ করা এবং ধানখোলার উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |