কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন-দর্শন, প্রেম ও আত্মিক অনুসন্ধানের অনন্য ধারক বাউল সংস্কৃতিকে আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন খন্দকার সোহেল ইসলাম। তাকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলী ও জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে খন্দকার সোহেল ইসলামকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নতুন দায়িত্বে খন্দকার সোহেল ইসলাম তার সাংগঠনিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দলের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতারা। একই সঙ্গে বাউলসংগীতের চর্চা ও প্রসার এবং বাংলার আদি লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা করা হচ্ছে।
বাংলার লোকজ সংস্কৃতির ভুবনে বাউলসংগীত এক অনন্য ঐতিহ্যের নাম। মানুষের জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, মানবতাবাদ ও আত্মিক দর্শনের গভীর অন্বেষণ এই সংগীতধারাকে দিয়েছে স্বতন্ত্র মর্যাদা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাউলগান বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে এসেছে; একই সঙ্গে সমৃদ্ধ করেছে এ দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে। সেই শেকড়ের সংস্কৃতিকে ধারণ করে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল কাজ করে আসছে।
খন্দকার সোহেল ইসলামকে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়ার খবরে সংগঠনের নেতাকর্মী ও বাউল সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, তার সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও সক্রিয়তায় দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি বাউলশিল্পী, লোকসংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম তুহিন এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ.বি. ফরিদ আহমেদ খন্দকার সোহেল ইসলামের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল ২০০৭ সালের ১৭ মে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি লোকশিল্পী ও সংস্কৃতিসেবীদের একটি বৃহত্তর সাংগঠনিক পরিসরে একত্রিত করে দলীয় ও জাতীয় সংস্কৃতিচর্চায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বাংলার চিরায়ত লোকজ ঐতিহ্য, বাউলসংগীত ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনটির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |