| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

মিরপুরে পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে ২৫ আটক, মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের ‘সাঁড়াশি’ অভিযান

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 26-07-2026 ইং
  • 240 বার পঠিত
মিরপুরে পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে ২৫ আটক, মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের ‘সাঁড়াশি’ অভিযান
ছবির ক্যাপশন: একসঙ্গে একাধিক এলাকায় অভিযান, আতঙ্ক অপরাধীদের মধ্যে—মূল কারবারিরা কি ধরাছোঁয়ার বাইরে?

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য ও জুয়া-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আটকের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের দাবি, মাদক ও জুয়ার বিস্তার রোধে এ অভিযান ছিল বিশেষ ও ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় যদি ২৫ জনকে আটক করা সম্ভব হয়, তাহলে দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধ কীভাবে বিস্তার লাভ করছিল? মাদক ও জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চললেও এর নেপথ্যের মূল হোতারা কতটা ধরাছোঁয়ার মধ্যে আসছেন, তা নিয়েও রয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদক কারবার, মাদক সেবন এবং জুয়ার আসর বন্ধে পুলিশের একাধিক দল একযোগে অভিযানে অংশ নেয়।

অভিযানে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫ জনকে আটক করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য ও জুয়া-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও জুয়া আইনে পৃথকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশের এই অভিযানকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষ্য, মাদক ও জুয়া শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সামাজিক অবক্ষয়, কিশোর-তরুণদের বিপথগামিতা এবং নানা ধরনের অপরাধ। ফলে বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, অপরাধের মূল উৎস চিহ্নিত করে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

স্থানীয়দের অনেকের অভিযোগ, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হলেও অপরাধের মূল নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া না গেলে পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাদের দাবি, শুধু আসরে থাকা ব্যক্তি কিংবা সেবনকারীদের আটক না করে মাদক সরবরাহের উৎস, কারবারের সঙ্গে জড়িত নেপথ্যের ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

পুলিশ বলছে, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কঠোর। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে মাদক কারবারি ও জুয়ার আস্তানাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় ২৫ জন আটকের ঘটনায় আপাতত মিরপুরে অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলেও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই অভিযান যেন সাময়িক কোনো তৎপরতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। মাদক ও জুয়ার মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অপরাধের নেপথ্যের কারিগরদের আইনের আওতায় আনার কার্যকর উদ্যোগই এখন সময়ের দাবি।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম