কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
যশোরের শ্রমিকনেতা কৃষ্ণালাল সরকারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, রংপুরে হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যাকাণ্ড এবং গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিক লিজা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ, কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৫টায় কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর ট্রাফিক মোড়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক সোলায়মান পারভেজের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মৃত্যুঞ্জয় পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মোকতারুল ইসলাম মুক্তি, বাংলাদেশ হোটেল-রেস্টুরেন্ট-মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়নের কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি রমজান বিশ্বাস, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের জেলা আহ্বায়ক ও গীতিকার আজব আলী, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সভাপতি তোরাপ আলী ব্যাপারী, হোটেল-রেস্টুরেন্ট-মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়নের মজমপুর শাখার সভাপতি জনি শেখ, সাধারণ সম্পাদক রবিন খাঁ এবং ফার্নিচার শ্রমিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক আমানত শেখসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৫ জুন যশোর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় শ্রমিকনেতা কৃষ্ণালাল সরকারের ওপর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণালাল সরকার যশোরে হোটেল শ্রমিক, রেলওয়ে শ্রমিক, পৌরসভার শ্রমিক-কর্মচারী এবং হরিজন সম্প্রদায়ের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। এ কারণে তিনি বিভিন্ন মহলের রোষানলেও পড়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি রংপুরে হোটেল শ্রমিক শাওনকে হত্যার ঘটনা এবং গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিক লিজা আক্তারের মৃত্যুসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা অভিযোগ করেন, কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় শিল্পকারখানা ও কর্মস্থলগুলো অনেক ক্ষেত্রে 'মৃত্যুফাঁদে' পরিণত হয়েছে।
বক্তারা শ্রমিকদের জীবন ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শ্রমিকনেতাদের ওপর হামলা-হুমকি বন্ধ করা এবং শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ ঘোষিত ১০ দফা দাবির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |