| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফলতা, বীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 04-06-2026 ইং
  • 11389 বার পঠিত
দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফলতা, বীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত
ছবির ক্যাপশন: দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফলতা, বীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে আশাব্যঞ্জক সফলতা অর্জিত হয়েছে। কৃষকের পরিশ্রম, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং কৃষি বিভাগের নিবিড় তত্ত্বাবধানে এ অঞ্চলে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনে সৃষ্টি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। এতে যেমন কৃষকের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনি দেশীয় বীজ উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ উদ্যোগ।

দৌলতপুর উপজেলার খলিশা কুন্ডি ইউনিয়নের শিলিমপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ উজ্জ্বল আলীর সার্বিক পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে স্থানীয় কৃষক মো. মারফত আলী তার ৩৩ শতাংশ জমিতে গ্রীষ্মকালীন নাসিক রেড N-53 জাতের পেঁয়াজ চাষ করে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সবুজে ঘেরা মাঠজুড়ে পেঁয়াজের গাছগুলো সুস্থ ও সতেজ অবস্থায় বেড়ে উঠেছে। পরিচর্যা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার ফলে ক্ষেতজুড়ে বিরাজ করছে আশার আলো। কৃষক মারফত আলী জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় তিনি আধুনিক পদ্ধতিতে এই জাতের পেঁয়াজ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ার পাশাপাশি উন্নতমানের বীজ উৎপাদনেরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, “গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ তুলনামূলকভাবে চ্যালেঞ্জিং হলেও কৃষি কর্মকর্তার নিয়মিত পরামর্শে আমি সাহস পেয়েছি। ক্ষেতের অবস্থা দেখে আমি খুবই আশাবাদী। ভালো ফলন হলে অন্যান্য কৃষকরাও এ চাষে আগ্রহী হবেন।”

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ উজ্জ্বল আলী বলেন, “নাসিক রেড N-53 জাতটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে বীজ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। সফলভাবে বীজ উৎপাদন করা গেলে কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন এবং দেশের পেঁয়াজ বীজের চাহিদা পূরণেও অবদান রাখবেন।”

স্থানীয় কৃষকদের মতে, দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের এই সফল উদ্যোগ কৃষি খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। একদিকে কৃষকের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে দেশীয় বীজ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের অভিমত, দৌলতপুরের উর্বর মাটি ও অনুকূল পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে এ অঞ্চল ভবিষ্যতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বীজ উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। কৃষকের ঘামে ভেজা মাঠ আজ যেন সম্ভাবনার এক সবুজ স্বপ্নের গল্প বলছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পথ দেখাচ্ছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম