কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও প্রস্তাবিত গণভোটকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া জেলা জুড়ে জনসাধারণের মধ্যে নানা আলোচনা ও ভাবনার জন্ম নিয়েছে। তবে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ এখনো ‘গণভোট’ কী, কীভাবে এতে ভোট দিতে হয়—সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা রাখেন না। জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে পরিচিত হলেও গণভোটের বিষয়টি অনেকের কাছেই নতুন ও জটিল বলে মনে হচ্ছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম, হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে কথা বলে জানা যায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে আগ্রহী হলেও গণভোটের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে তারা পর্যাপ্ত তথ্য পাননি। ফলে বিভ্রান্তি ও সংশয় তৈরি হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় শিক্ষক, সমাজকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এটি সম্পর্কে জনগণকে আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানানো জরুরি। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের ভোটারদের জন্য সহজ ভাষায় ও বাস্তব উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে। তারা বলেন, “জাতীয় নির্বাচন মানুষ বোঝে, কিন্তু গণভোট কী—এটা না বুঝলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।”
এ প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন গণমাধ্যম—জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে গণভোট সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি লিফলেট, পোস্টার, উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং ভোটার শিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গণভোট কী, কেন এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ভোটের ব্যালটে কীভাবে মতামত দিতে হবে এবং এর ফলাফলের প্রভাব কী—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে জানানো গেলে সাধারণ মানুষ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এতে একদিকে যেমন গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্ত হবে, অন্যদিকে ভোটারদের সক্রিয় ও সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
জনসাধারণের সাধারণ ভাবনা ও আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়েই কুষ্টিয়ায় এ ধরনের সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্যোগ সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনা পেলে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন—উভয় ক্ষেত্রেই জনগণের অংশগ্রহণ হবে আরও অর্থবহ ও কার্যকর।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |