কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
জাতীয় সংহতি দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আলহাজ্ব সোহরাব উদ্দিনের সমর্থকরা তাঁর মনোনয়ন পুনঃবিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়া পৌরসভা চত্বরে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, মহিলা দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বশিরুল আলম চাঁদ। বক্তব্য রাখেন সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শামীম উল হাসান অপু, সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক মেজবাউর রহমান পিন্টু, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, জেলা জাসাস সভাপতি ইমরান আহমেদ সুমন, শহর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরান জামান কামু এবং সদর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান শিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম উল হাসান অপু বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর যারা মাঠে থেকে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দল ও নেতার প্রতি অবিচল থেকেছেন—আজ তাদের বাদ দিয়ে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হলে সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়বে এবং মাঠ পর্যায়ে হতাশা সৃষ্টি হবে। বিএনপির এই নেতা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অ্যাডভোকেট অপু জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি’র বিরুদ্ধেও সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “যারা বিএনপির আন্দোলনের সময় পাশে ছিল না, তারা এখন সুযোগ নিতে চাইছে। অথচ আমরা যারা লাঠি-গুলির মুখে থেকেছি, তাদের গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না—এটি ত্যাগী কর্মীদের প্রতি অবিচার। দলীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে মনোনয়ন বণ্টন নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা ত্যাগী ও যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি তুলেছেন।বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন একজন ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতা, যিনি দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছেন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁকে মনোনয়ন না দেওয়া নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে। তাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তাঁকে পুনরায় মনোনয়ন বিবেচনার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |