কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীর তীরবর্তী দুর্গম চরাঞ্চলে সন্ত্রাস দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রোববার (৯ নভেম্বর) ভোর ৪টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টানা এই অভিযানে নিয়মিত মামলা, সাজা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে চরের গভীর এলাকা থেকে অপরাধীদের ব্যবহৃত দুটি অস্থায়ী তাঁবু, একটি স্পিডবোট, দুটি নৌকা, তিনটি মোটরসাইকেল, তিনটি মোবাইল ফোন এবং অস্ত্র রাখার জন্য বিশেষভাবে তৈরি দুটি গোপন চেম্বার উদ্ধার করা হয়।
জেলাজুড়ে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। অভিযানের সার্বিক তদারকি করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা। জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের মোট ৩১৫ জন সদস্য অভিযানে অংশ নেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত ৩০ অক্টোবর পদ্মার চরাঞ্চলে জেলা পুলিশের নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে এলাকাটিতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, “সকাল থেকে চলা অভিযানে দৌলতপুর থানা এলাকা থেকে পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”অন্যদিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, “আমরা দৌলতপুর, ভেড়ামারা ও কুমারখালী এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করেছি। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর ‘কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী’ শিরোনামে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চল ও ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কাকন ও মণ্ডল বাহিনীর পাশাপাশি টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনীসহ ডজনখানেক সশস্ত্র দলের সক্রিয়তা রয়েছে সেখানে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে স্থানীয় জনগণ।সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রোববার (৯ নভেম্বর) ভোর ৪টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টানা এই অভিযানে নিয়মিত মামলা, সাজা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে চরের গভীর এলাকা থেকে অপরাধীদের ব্যবহৃত দুটি অস্থায়ী তাঁবু, একটি স্পিডবোট, দুটি নৌকা, তিনটি মোটরসাইকেল, তিনটি মোবাইল ফোন এবং অস্ত্র রাখার জন্য বিশেষভাবে তৈরি দুটি গোপন চেম্বার উদ্ধার করা হয়।
জেলাজুড়ে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। অভিযানের সার্বিক তদারকি করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা। জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের মোট ৩১৫ জন সদস্য অভিযানে অংশ নেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত ৩০ অক্টোবর পদ্মার চরাঞ্চলে জেলা পুলিশের নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে এলাকাটিতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, “সকাল থেকে চলা অভিযানে দৌলতপুর থানা এলাকা থেকে পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”অন্যদিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, “আমরা দৌলতপুর, ভেড়ামারা ও কুমারখালী এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করেছি। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর ‘কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী’ শিরোনামে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চল ও ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কাকন ও মণ্ডল বাহিনীর পাশাপাশি টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনীসহ ডজনখানেক সশস্ত্র দলের সক্রিয়তা রয়েছে সেখানে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে স্থানীয় জনগণ।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |