কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার কমলাপুর মিয়া পাড়া ঈদগাহ মোড় থেকে একতারপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটি খুঁড়ে রেখে দীর্ঘ ৩ থেকে ৪ মাস ধরে কাজ ফেলে রাখায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। উপজেলার প্রকৌশলী মো: আসাদ উল্লাহ’র গাফিলতি ও অবহেলার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয়রা জানান, সড়ক উন্নয়নের জন্য কয়েক মাস আগে সড়কের এক পাশ খুঁড়ে ফেলা হলেও আজ অবধি তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, শুধু খোকসায় নয়, কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রাস্তা নির্মাণ কাজে প্রকৌশলীদের অবহেলা, দুর্নীতি ও প্রশাসনের জবাবদিহিতার অভাবের কারণে বহু কাজ শুরু হলেও শেষ হয় না। এ যেন এক নীরব ফ্যাসিবাদের চিহ্ন, যা জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তারা আরও বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সড়ক নির্মাণ করা হলেও যদি সেখানে এভাবে গাফিলতি ও দুর্নীতি হয়, তাহলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হবে। প্রকৌশলীরা জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত হলেও জনদুর্ভোগ কমাতে তাদের কোনো কার্যকর ভূমিকা দেখা যায় না। স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন যাবত রাস্তা খুঁড়ে রাখলেও তা নির্মাণ করা হচ্ছে না। এখন এ রাস্তা যেন ভোগান্তির আরেক নাম। রাস্তার এক পাশ খুঁড়ে রাখায় যানবাহন চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি কাজে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। বৃষ্টির সময় কাদা ও পানি জমে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের অবহেলা ও নজরদারির অভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের কাজ শেষ না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এলাকাবাসীর জোর দাবি, ভবিষ্যতে যেন কোনো রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা না হয়। আর ইতিমধ্যে যেসব রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে সেগুলো যেন দ্রুততম সময়ে মেরামত করা হয়। নইলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |