| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসককে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 20-10-2025 ইং
  • 131617 বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসককে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
ছবির ক্যাপশন: কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসককে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন, কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে ৭ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের নেতারা বলেন, শিক্ষা সংস্কার ও শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, অতীতের বৈষম্যমূলক নীতি ও অব্যবস্থাপনা দেশের শিক্ষা কাঠামোকে দুর্বল করেছে, যা সংস্কারের মাধ্যমে সংশোধন করা এখন জরুরি।

স্মারকলিপিতে শিক্ষকদের ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়—১. বাড়ি ভাতা ৪৫ শতাংশে উন্নীত করা, ২. চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা নির্ধারণ, ৩. শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান, ৪. প্রস্তাবিত ১,০৮৯ ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত করা, ৫. নন-এমপিও শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি, ৬. অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া ভাতা পরিশোধ, ৭. স্বৈরাচার আমলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনাদি নির্বাহী আদেশে পরিশোধ। স্মারকলিপিটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ও মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টার বরাবর পাঠানো হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “সুদীর্ঘ সাড়ে পনের বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের জুলুম, নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার সূর্যোদয়—৫ আগস্ট ২০২৪—বাংলাদেশে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।” শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংগঠনটি জানায়, এই অর্জিত স্বাধীনতার চেতনায় শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মনে করে, সামাজিক অবক্ষয় রোধ ও একটি আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষানীতি ও শিক্ষাক্রমে সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে শিক্ষার মান অবনত হয়েছে।

ফেডারেশনের অভিযোগ, বিগত সরকার ২০১০ সালের শিক্ষানীতির মাধ্যমে ২০২২ সাল থেকে যে শিক্ষাক্রম চালু করেছে, সেখানে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিবর্তে “বিদয়াত ও শিরকিয়াত” নামের বিভ্রান্তিকর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই শিক্ষাক্রমে নৈতিক শিক্ষা ও কর্মমুখী বাস্তব শিক্ষা উপেক্ষিত হয়েছে বলে সংগঠনের দাবি।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, “শিক্ষা সংস্কার ও শিক্ষকদের আর্থসামাজিক সুরক্ষা ছাড়া জাতি গঠনের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব নয়।” তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা দ্রুত এই সংস্কার প্রস্তাবনা ও দাবিসমূহ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন বিশ্বাস করে, সরকারের সদিচ্ছার মাধ্যমে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম