কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার খামারগুলোতে এখন চলছে ব্যস্ত সময়। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খামারিরা কোরবানির পশু লালন-পালনে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকলেও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের এক খামারি যেন আলাদা করেই নজর কেড়েছেন। তার খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশাল আকৃতির দুটি কোরবানির গরু—‘কালো হাতি’ ও ‘সাদা হাতি’; যাদের আকার-আকৃতি দেখে অনেকেই বিস্মিত হচ্ছেন।
খামারি মো. বিল্লাল হোসেন জানান, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, যত্ন আর পরিকল্পিত পরিচর্যার মাধ্যমে তিনি গরু দুটি লালন-পালন করেছেন। বিশাল দেহের কারণে এলাকাবাসী গরু দুটির নাম দিয়েছেন ‘কালো হাতি’ ও ‘সাদা হাতি’। প্রতিটি গরুর আনুমানিক বাজার মূল্য ধরা হচ্ছে প্রায় ১০ লাখ টাকা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গরু দুটি দেখতে অনেকটা ছোট আকারের হাতির মতো। তাই প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বিল্লাল হোসেনের খামারে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষ গরু দুটি এক নজর দেখতে ছুটে আসছেন।
খামারি বিল্লাল হোসেন বলেন, “ভালোবাসা আর শ্রম দিয়েই গরুগুলো বড় করেছি। আশা করছি ন্যায্য দাম পাবো। খামারিরা যদি পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান, তাহলে আগামী বছরগুলোতেও আরও বেশি উৎসাহ নিয়ে গরু পালন করবেন।”
কুষ্টিয়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন খামারিদের মধ্যেও বিল্লাল হোসেনের খামার এখন আলোচনায় রয়েছে। তার খামারে গরুর সংখ্যা মাত্র চারটি হলেও প্রতিটি গরুর আকার ও স্বাস্থ্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে খামারিদের প্রতি সরকারি সহযোগিতা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি। তাহলে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে এবং দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন।
আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ার পশুর হাটগুলোতে যখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ছে, তখন আলামপুরের ‘কালো হাতি’ ও ‘সাদা হাতি’ যেন কোরবানির বাজারে নতুন আকর্ষণের নাম হয়ে উঠেছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |