কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থের পক্ষে আপসহীন সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে নিজের অবস্থান আরও সুস্পষ্ট করেছেন চিকিৎসক ও সাংবাদিক ডা. মো. মুনজুরুল ইসলাম। শ্রদ্ধেয় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শামসুল আলম স্বপনের প্রতি গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, তোষামোদনির্ভর নয়, বরং জনমানুষের পক্ষে দাঁড়ানো সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই তাঁর পথচলার মূল দর্শন।
ডা. মুনজুরুল ইসলাম দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমি ঘোষণা দিয়েছি, আমি আমার মত করে সাংবাদিকতা করব। কোনো তোষামোদকারী সাংবাদিকতা করব না। সত্য বলেই বাঁচতে চাই।” তাঁর এই উচ্চারণ যেন শুধু ব্যক্তিগত অঙ্গীকার নয়, বরং আদর্শভিত্তিক সাংবাদিকতার এক সুস্পষ্ট বার্তা।
তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতা কেবল পেশা নয়—এটি সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার। আর সেই পথ হতে হবে নির্ভীক, নৈতিক এবং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে। তাঁর ভাষায়, অভাব-অনটন কিংবা প্রতিকূলতা মানুষকে বিচ্যুত করতে পারে, কিন্তু চরিত্র, সততা ও আদর্শই মানুষকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
একজন পেশাজীবী চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিকতাকেও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয়।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অনেক সময় সৎ ও যোগ্য সহযোদ্ধার অভাবে প্রকৃত সাংবাদিকতা চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। তোষামোদনির্ভর চর্চার ভিড়ে অনুসন্ধানী ও আগুনঝরা সাংবাদিকতার চর্চা কমে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শামসুল আলম স্বপনের নির্ভীক ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভূয়সী প্রশংসা করে ডা. মুনজুরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা প্রভাবশালী মহলের বিষয়ে সত্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে স্বপন ভাইয়ের সাহসী অবস্থান তাঁকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন অভিজ্ঞ ও দুঃসাহসী সাংবাদিকদের সান্নিধ্য তাঁর সাংবাদিকতা জীবনে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।
সম্প্রতি কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে আত্মসম্মান ও নৈতিকতার প্রশ্নে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, সম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়, বরং আদর্শ ধরে রেখেই পথ চলাই তাঁর অঙ্গীকার।
ডা. মুনজুরুল ইসলাম আরও বলেন, তিনি এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন না যাতে নিজের জন্য বিপদ ডেকে আসে। তবে বিদ্বেষমূলক ষড়যন্ত্রের মুখেও সত্যের পক্ষে মানুষ পাশে দাঁড়াবে—এই বিশ্বাস তাঁর অটুট।
সাহস, সততা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই অবস্থান অনেকের কাছেই হয়ে উঠতে পারে তরুণ সাংবাদিকতার নতুন অনুপ্রেরণা। সত্যের পক্ষে কলম ধরার এই অঙ্গীকার নিঃসন্দেহে সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ডকে আরও সমুন্নত করবে
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |