কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও এজাহার থেকে জানা যায়, সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি শালঘর মধুয়া গ্রামের মো. জিন্নাহ আলমের ক্রয়কৃত বসতবাড়ির জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় বাড়ির ভেতরে থাকা তাঁর বড় ভাই আলী আহসান (৪৫)-কে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে হামলাকারীরা।
প্রতিবাদ করলে ধারালো ও ভারী অস্ত্র নিয়ে আলী আহসানের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মাথা, ঘাড় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁর স্ত্রী তানজিনা খাতুন (৩৫)-এর ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলার একপর্যায়ে তাঁর কানের স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২১) বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।
এ সময় হামলাকারীরা বসতঘরের নির্মাণাধীন ইটের গাঁথুনি ভাঙচুর করে এবং রান্নাঘরের বেড়া কেটে ফেলে। এতে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি।
আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে ভ্যানযোগে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নেওয়া হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় মো. জিন্নাহ আলম বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |