কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একাধিক সফল অভিযানে দুইজন চোরাকারবারী আটকসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বিজিবি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ও সকালজুড়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ প্রাগপুর ও কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযানে এসব মালামাল আটক করা হয়। অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য চার লক্ষ দুই হাজার দুইশত টাকা।
বিজিবি সূত্র জানায়, ১৪ জানুয়ারি ভোর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে প্রাগপুর বিওপির একটি চৌকষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৪৯/২-এস থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাগুয়ান ডাংমড়কা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজন চোরাকারবারীকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন— মো. আসাদুজ্জামান সোহেল (৪৩) ও মো. আশিকুল (২৫)। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২ হাজার ৭০০ টাকা।
এর আগে ১৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে দশটার দিকে কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৪৬/২-এস সংলগ্ন কাজিপুর বর্ডার পাড়া মাঠে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৩ বোতল মদ ও ১ হাজার ৩০ পিস সিলডিনাফিল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য তিন লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার পাঁচশত টাকা।
একইদিন সকালে কাজিপুরি বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ১৪৬/৬-এস সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি অভিযানে মালিকবিহীন ৪৮ কেজি ভারতীয় জিরা ও একটি বাইসাইকেল আটক করে। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ছাপ্পান্ন হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, আটক আসামিদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য ব্যাটালিয়ন সিজার স্টোরে এবং চোরাচালানী মালামাল যথাযথ প্রক্রিয়ায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, “সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও কঠোরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।”
স্থানীয়দের মতে, বিজিবির এমন নিয়মিত ও কার্যকর অভিযানে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান কার্যক্রম অনেকাংশে কমে এসেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবির এই ভূমিকা জনমনে আস্থা ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |