কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়া–খুলনা মহাসড়কের কুষ্টিয়ার বিসিক নগরী এলাকায় বিআরবি ক্যাবলস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সামনের অল্প কয়েকশ’ মিটার রাস্তার বেহাল দশায় নিত্যযাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কের ভাঙাচোরা অংশটি এখন চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরে যাচ্ছে তাজা প্রাণ। তবুও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ দেখা না যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের মাঝখান দিয়ে ডিভাইডার নির্মিত হলেও এর একপাশে রয়েছে পিচঢালা ভালো রাস্তা, আর অন্য পাশে কাঁচা ও জরাজীর্ণ অংশ। বাইরে থেকে আসা অনেক ড্রাইভার একপাশের ভালো রাস্তা দেখে অপ্রস্তুত অবস্থায় হঠাৎই খারাপ রাস্তার মুখোমুখি হচ্ছেন, ফলে ঘনঘন ঘটছে দুর্ঘটনা। দ্রুতগতিতে আসা যান হঠাৎ থামানো সম্ভব না হওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে বিপজ্জনক পরিস্থিতি। একই সঙ্গে রাস্তার ওই খারাপ অংশে যানবাহনকে বাধ্য হয়ে ধীর গতিতে চলতে হওয়ায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হচ্ছে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও জরুরি সেবার গাড়িগুলো পড়ছে চরম বিব্রতকর অবস্থায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও পথচারীরা জানান, “দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার কথা বলছি, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মাত্র সামান্য অংশের রাস্তা মেরামত করলেই অনেক মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে।” তাদের দাবি—এটি অবিলম্বে সংস্কারের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব।
এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, কুষ্টিয়া জেলার শিল্প ও অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র বিসিক নগরী। এখানে প্রতিদিন শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন হয়। মহাসড়কের এই বেহাল অবস্থা চলতে থাকলে শিল্পকারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবাহেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকার ও প্রশাসনের সমন্বিত দ্রুত উদ্যোগে খুব অল্প সময়েই এ সড়কের জরাজীর্ণ অংশ সংস্কার করা সম্ভব হবে। এতে কুষ্টিয়া–খুলনা মহাসড়কের স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরায় নির্বিঘ্ন হবে এবং শিল্পাঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমও আরও গতিশীল হবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |