| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

মিরপুরে জামাত মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোঃ জোমারত আলী

রিপোর্টারের নামঃ MD MUNZURUL ISLAM
  • আপডেট টাইম : 07-09-2026 ইং
  • 583 বার পঠিত
মিরপুরে জামাত মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোঃ জোমারত আলী
ছবির ক্যাপশন: জোমারত আলীকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠছে রাজনৈতিক মাঠ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে চলছে আলোচনা, হিসাব-নিকাশ ও নানা জল্পনা। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক মো. জোমারত আলীকে ঘিরে নির্বাচনী অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আগ্রহ।

শিক্ষকতা পেশার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনসংযোগ—এই তিন বিষয়কে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন অধ্যাপক জোমারত আলী। তাঁর প্রচারণায় প্রাধান্য পাচ্ছে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণের প্রতিশ্রুতি।

তবে নির্বাচনী মাঠের বাস্তব সমীকরণ কেবল প্রতিশ্রুতিতে নির্ধারিত হয় না—প্রার্থী কতটা সাংগঠনিক শক্তি কাজে লাগাতে পারেন, সাধারণ ভোটারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কতটা কার্যকর এবং শেষ পর্যন্ত সেই সমর্থন ভোটকেন্দ্রে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেটিই হতে পারে মূল পরীক্ষা।

উন্নয়ন-সুশাসনেই জোর

গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে অধ্যাপক জোমারত আলী মিরপুরের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছেন। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, কৃষির আধুনিকায়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।

পাশাপাশি মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলছেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যয়।

ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি কতটা বড় শক্তি?

স্থানীয় পর্যায়ে অধ্যাপক জোমারত আলীর পরিচিতির অন্যতম ভিত্তি তাঁর শিক্ষকতা পেশা। দীর্ঘদিন শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথাও তাঁরা সামনে আনছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি দলীয় সংগঠন, মাঠপর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয়তা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে অধ্যাপক জোমারত আলীর সম্ভাবনা কতটা শক্তিশালী—তার উত্তর দিতে হলে নির্বাচনী মাঠের পূর্ণাঙ্গ সমীকরণ সামনে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ভোটারদের রায়ই শেষ কথা

অধ্যাপক মো. জোমারত আলী বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবার জন্য কাজ করতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করে একটি উন্নত, আধুনিক, নিরাপদ ও কল্যাণমুখী মিরপুর উপজেলা গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

রাজনীতির মাঠে এখন তাঁর সামনে দ্বৈত চ্যালেঞ্জ—একদিকে নিজের গ্রহণযোগ্যতা ও উন্নয়ন ভাবনাকে ভোটারদের কাছে আরও দৃশ্যমান করা, অন্যদিকে সেই বার্তাকে সাংগঠনিকভাবে প্রতিটি ভোটারের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসবে, মিরপুরের ভোটের মাঠে ততই স্পষ্ট হবে কোন প্রার্থীর সঙ্গে কতটা জনসমর্থন, কার সাংগঠনিক ভিত্তি কতটা শক্ত এবং কে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের আস্থা অর্জনে সক্ষম। অধ্যাপক জোমারত আলীর ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত মূল্যায়ন হবে ব্যালটেই—জনপ্রত্যাশার দাবি আর ভোটের বাস্তবতার মধ্যে কতটা সেতুবন্ধন তিনি গড়ে তুলতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোর পথ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় অনুপম