কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে গভীর রাতে তালা ভেঙে চুরি ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী মো. ফড়ং আলীর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জনিরুল ইসলাম (৪৬)। চুরির পাশাপাশি বাড়ির পানির সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, জনিরুল ইসলামের বড় ভাই মো. শেখ আব্দুল্লাহ সৌদি আরবে অবস্থান করায় তার বাড়িঘর দেখাশোনা করেন জনিরুল। অভিযোগকারীর দাবি, প্রতিবেশী ফড়ং আলীর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২২ জুলাই রাত ১০টা থেকে ২৩ জুলাই ভোর ৪টার মধ্যে কোনো একসময় প্রবাসীর বাড়ির গেট ও ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। পরে একটি এলইডি টেলিভিশন, ফ্রিজ, আসবাবপত্র, টেলিভিশনের ডিশসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির পানির পাইপের মুখ ইট ও মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
পরদিন সকালে বাড়ির গেট খোলা দেখতে পেয়ে বিষয়টি স্থানীয় মুদি দোকানি মো. গাফফারকে জানান জনিরুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরে ফড়ং আলী ঘটনাস্থলে এসে জনিরুলকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে মো. গাফফার (৪৫) ও মো. ইমদাদুল ইসলাম (৫০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সৌদি আরবে থাকা বাড়ির মালিক শেখ আব্দুল্লাহকে বিষয়টি জানিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন স্বজনেরা। এরপর দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
ঘটনাটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাতের অন্ধকারে বাড়ির তালা ভেঙে প্রবেশ, মালামাল সরিয়ে নেওয়া এবং পানির পাইপ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগের পেছনে প্রকৃত ঘটনা কী—তা এখন তদন্তের বিষয়। চুরির ঘটনায় কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, কী পরিমাণ মালামাল খোয়া গেছে এবং অভিযোগের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও তদন্তে গুরুত্ব পেতে পারে।
তবে অভিযোগে অভিযুক্ত মো. ফড়ং আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারী জনিরুল ইসলাম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের উদ্যোগ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের পরই এ ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।
| ফজর | ৫.২১ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩.৪৭ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৫.২৬ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৬.৪৪ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২.৩০ মিনিট দুপুর |